গ্রুপ-সি পরীক্ষা আজ, কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন্দ্রের বাইরে রাখার নির্দেশ; ১,৬৯৩ কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা

গ্রুপ-সি পরীক্ষা আজ, কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন্দ্রের বাইরে রাখার নির্দেশ; ১,৬৯৩ কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রবিবার রাজ্যজুড়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ-সি শিক্ষাকর্মী নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ঠিক একই সময়ে ভোটের প্রস্তুতিতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসায় প্রশাসনিক স্তরে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই পরীক্ষাকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছে West Bengal School Service Commission।
কমিশনের তরফে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি এবং Kolkata Police-র পুলিশ কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, রবিবার গ্রুপ-সি এবং আগামী ৮ মার্চ গ্রুপ-ডি পরীক্ষার দিন কোনওভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। কয়েকটি কেন্দ্রে বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব আসায় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হয়। এরপর রাজ্য প্রশাসন সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত পরীক্ষা চলাকালীন বাহিনীকে কেন্দ্রের বাইরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে তাঁদের নিকটবর্তী সরকারি বা আধা-সরকারি ভবন কিংবা অন্য কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা যেতে পারে, তবে পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে নয়।
কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়েছেন, নিয়োগ পরীক্ষার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। পরীক্ষার্থীদের দেহতল্লাশিতে যাতে কোনও জটিলতা না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর অন্তত দু’ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনওরকম শৈথিল্য রাখা হচ্ছে না বলেই দাবি কমিশনের।
রবিবার রাজ্যজুড়ে মোট ১,৬৯৩টি কেন্দ্রে গ্রুপ-সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শূন্যপদ রয়েছে ২,৯৮৯টি এবং আবেদনকারীর সংখ্যা ৮ লক্ষেরও বেশি। গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি মিলিয়ে মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ৩,৪০০। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে জুতো, গয়না এবং সমস্ত ধরনের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বচ্ছ জলের বোতল, কলম ও অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া অন্য কিছু বহন করা যাবে না। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির পরই পরীক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীদের জন্য রাইটার নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে এবং তাঁদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top