প্রথম দফার ভোটের দিনেই রাজ্যে মোদি-শাহের ঝড়ো প্রচার, মহিলা ও যুব ভোটারদের টানতে বিশেষ বার্তা

প্রথম দফার ভোটের দিনেই রাজ্যে মোদি-শাহের ঝড়ো প্রচার, মহিলা ও যুব ভোটারদের টানতে বিশেষ বার্তা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ। ভোট শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে রাজ্যের মহিলা ও যুবসমাজকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বিশেষভাবে তরুণ ভোটার ও মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোটদানের অনুরোধ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট আজ। আমি সমস্ত নাগরিককে গণতন্ত্রের এই উৎসবে পূর্ণ উদ্যমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাই। বিশেষ করে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে অনুরোধ করছি।”
ভোটের দিনেই রাজ্যে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দমদম বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সেখান থেকে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে কৃষ্ণনগরে গিয়ে প্রথম জনসভা করেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় কৃষ্ণনগরে সভার পর তিনি মথুরাপুরে রওনা দেন, যেখানে দুপুর ২টো ৪৫ মিনিটে কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয় জনসভা করেন।
এরপর বিকেলে সাড়ে ৪টেয় হাওড়ায় একটি রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বেলুড় মঠ পরিদর্শন করে মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন তিনি। সেখান থেকে সালকিয়া চৌরাস্তা পর্যন্ত রোড শো করেন এবং পরে রাজভবনে রাত্রিবাস করেন।
শুক্রবারও রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বারুইপুরের চম্পাহাটিতে জনসভা এবং পানিহাটিতে আরেকটি সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। পানিহাটির সভায় উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ওই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর বার্তার দিকে নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও এদিন রাজ্যে একাধিক জনসভা ও রোড শো করেন। হুগলির বলাগড়, আরামবাগের পুরশুড়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে তাঁর কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দফার ভোটের দিনই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজ্যে উপস্থিত থাকা বিজেপির একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। হাওড়া, হুগলি ও দুই ২৪ পরগনার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিকে টার্গেট করে ভোটারদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রভাবিত করা এবং দলীয় কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করাই মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top