পশ্চিম মেদিনীপুর – পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর আগে কড়া নিরাপত্তা ও নিয়মের মধ্যেই ভোট প্রক্রিয়া চললেও ঘাটালে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে গিয়ে এক অধ্যাপিকা জানতে পারেন, তাঁর ভোট নাকি আগেই পড়ে গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—তাহলে তাঁর ভোট গেল কোথায়, আর কীভাবেই বা আগে সেটি পড়ে গেল?
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে, যা ঘাটাল কলেজ নামেও পরিচিত। এখানে তৈরি হয়েছে ডিসিআরসি সেন্টার, যেখান থেকে ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন। পাশাপাশি মোবাইল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে EVM এবং অন্যান্য ভোট সামগ্রী নিয়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বুথে রওনা হচ্ছেন ভোটকর্মীরা।
এই ব্যবস্থার মধ্যেই ঘটে যায় অস্বাভাবিক ঘটনা। ওই কলেজেরই অধ্যাপক এবং প্রিসাইডিং অফিসার মাখন সামন্ত পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে গেলে জানতে পারেন, তাঁর ভোট ইতিমধ্যেই নথিভুক্ত হয়ে গেছে। এই খবর শুনে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
তিনি জানান, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নিজের ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি পোস্টাল ব্যালট নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাঁকে জানানো হয়, তাঁর ভোট আগেই পড়ে গেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তিনি নিজে ভোট না দিয়েও কীভাবে তাঁর ভোট পড়ে যেতে পারে, তা তাঁর বোধগম্য নয়।
মাখন সামন্ত আরও বলেন, “আমি অন্যদের ভোট করাতে যাব, অথচ নিজের ভোটই দিতে পারলাম না—এটা কীভাবে সম্ভব?” তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে প্রশাসনিক মহলেও।




















