ভেঙে গেল সপ্তদশ বিধানসভা, নতুন সরকারের শপথের অপেক্ষায় বাংলা

ভেঙে গেল সপ্তদশ বিধানসভা, নতুন সরকারের শপথের অপেক্ষায় বাংলা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হল ৭ মে। সংবিধান অনুযায়ী নিয়ম মেনেই এদিন বর্তমান বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। পরিষদীয় দফতরের তরফে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে, সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ২ নম্বর ক্লজের (বি) উপধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিধানসভা ভেঙে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পদত্যাগ করেননি। প্রশাসনিক মহলের মতে, বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ায় এটি একটি সাংবিধানিক ও প্রথাগত প্রক্রিয়া মাত্র। আগামী ৯ মে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজ্যে নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, নতুন বিধানসভার অধিবেশন কবে বসবে? সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরই অষ্টাদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন ডাকা হবে। তবে তার আগে একাধিক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
প্রথমেই রাজ্যপাল নবনির্বাচিত বিধায়কদের মধ্য থেকে একজনকে প্রোটেম স্পিকার হিসেবে নিয়োগ করবেন। তাঁকেই প্রথমে শপথ গ্রহণ করানো হবে। এরপর নতুন বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব পালন করবেন সেই প্রোটেম স্পিকার।
এরপর অনুষ্ঠিত হবে বিধানসভার স্পিকার নির্বাচন। শাসক দল বিজেপির মনোনীত প্রার্থীকে অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। নতুন স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পরই পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ শুরু করবে পশ্চিমবঙ্গের অষ্টাদশ বিধানসভা।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফেও বড় ঘোষণা করা হয়েছে। দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আদর্শ আচরণবিধি বা মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৪৪-ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ থাকায় সেখানে আপাতত আদর্শ আচরণবিধি বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজভবনের এই নোটিফিকেশনের পর এখন নজর আগামী ৯ মে-র দিকে। ওইদিন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক ও বিধানিক কার্যক্রম নতুন করে পূর্ণ গতিতে শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top