রাজ্য -;দীর্ঘ ১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। নতুন সরকারের আগমনের পর বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক ইস্যুতে কী অবস্থান নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আর সেই অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়ল বহু প্রতীক্ষিত ডিএ মামলাতেও।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। বিকেল ৩টেয় সুপ্রিম কোর্টের ১১ নম্বর কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বিশেষ বেঞ্চে মামলাটি ওঠার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নতুন নোটিফিকেশন জারি করে জানানো হয়, ওই বিশেষ বেঞ্চ বাতিল করা হয়েছে।
পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি এন কে সিং-এর নিয়মিত বেঞ্চ এদিন ১১ নম্বর কোর্টে বসবে। ফলে নির্ধারিত দিনে ডিএ মামলার শুনানি আর হয়নি। এই ঘটনার পর থেকেই কর্মচারীমহলে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা ও উদ্বেগ।
সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী কুণাল মেমানি জানিয়েছেন যে, রাজ্যে সদ্য সরকার পরিবর্তন হয়েছে। নতুন সরকার এখনও বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান চূড়ান্ত করেনি। তাই এই মুহূর্তে মামলার বিষয়ে নির্দিষ্ট বক্তব্য পেশ করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই আদালতের কাছে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, নতুন বিজেপি সরকার এই মামলায় কী অবস্থান নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে পরবর্তী আইনি লড়াইয়ের গতি। সরকারের তরফে নতুন নির্দেশিকা বা অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত মামলার জট কাটার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
ফলে আপাতত আরও তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। আগামী শুনানিতে নতুন সরকার কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে সকলে।




















