অরেঞ্জ লাইনের কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় বড় ট্রাফিক বদল, ১২০ ঘণ্টা আংশিক বন্ধ থাকবে বাইপাসের অংশ

অরেঞ্জ লাইনের কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় বড় ট্রাফিক বদল, ১২০ ঘণ্টা আংশিক বন্ধ থাকবে বাইপাসের অংশ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের নির্মাণকাজের জন্য এবার বড়সড় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুলিশ। চিংড়িঘাটা মোড় ও ইএম বাইপাসের একাংশে দুই দফায় মোট ১২০ ঘণ্টা যান চলাচলে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বুধবার কলকাতা পুলিশের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, কোন কোন রাস্তা বন্ধ থাকবে এবং কোন পথে যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এই যান নিয়ন্ত্রণের অনুমোদন দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে আগামী ১৫ মে শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ১৮ মে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চিংড়িঘাটা মোড়ের উত্তর দিকে যান চলাচল আংশিকভাবে বন্ধ থাকবে। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে ২২ মে শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ২৫ মে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দক্ষিণমুখী যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।
প্রথম পর্যায়ে চিংড়িঘাটা উড়ালপুলের নীচে ইএম বাইপাসের পশ্চিম দিক বন্ধ থাকবে। এই সময় সল্টলেক ও বিমানবন্দরমুখী সমস্ত গাড়িকে এনএক্স হোটেলের সামনে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। সেই গাড়িগুলিকে চিংড়িঘাটার উত্তরমুখী রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। যদিও সল্টলেক বা নিউটাউন দিক থেকে বাইপাসমুখী যানবাহনের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না।
দ্বিতীয় পর্যায়ে ইএম বাইপাসের পূর্ব দিক বন্ধ থাকবে। ফলে দক্ষিণমুখী সমস্ত গাড়িকে চিংড়িঘাটা ক্রসিং থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং বাইপাসের পশ্চিম দিক ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি হাডকো মোড়, কাঁকুরগাছি ক্রসিং বা অন্যান্য এলাকা থেকে কোনও দক্ষিণমুখী পণ্যবাহী গাড়িকে চিংড়িঘাটার দিকে যেতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণের কাজ দীর্ঘদিন ধরেই আটকে ছিল। মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অনুমতি না পাওয়ায় কাজ এগোচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। আদালতের নির্দেশে কলকাতা পুলিশ ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মধ্যে একাধিক বৈঠকও হয়েছিল।
পরবর্তীতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ট্রাফিক ব্লকের তারিখ চূড়ান্ত করতে। যদিও তৎকালীন রাজ্য সরকার বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও গঙ্গাসাগর মেলার কারণ দেখিয়ে আপত্তি তোলে। পরে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। শীর্ষ আদালতও হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখে এবং মেট্রোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে আর বাধা সৃষ্টি করেনি।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top