প্রয়াত মোহনবাগান রত্ন টুটু বসু, শোকে ডুবল ময়দান

প্রয়াত মোহনবাগান রত্ন টুটু বসু, শোকে ডুবল ময়দান

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন Tutu Bose। সোমবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন আধুনিক Mohun Bagan Super Giant-এর অন্যতম রূপকার। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ময়দানে।
নাতি অরিঞ্জয় বসু শোকবার্তায় জানিয়েছেন, টুটু বসু শুধু পরিবারের অভিভাবকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক অসাধারণ প্রশাসক এবং সবার জন্য ভরসার জায়গা। তাঁর কথায়, “আমাদের জীবনের সত্যিকারের এক বটবৃক্ষ ছিলেন তিনি।”
মোহনবাগান ক্লাবের সঙ্গে টুটু বসুর সম্পর্ক ছিল অবিচ্ছেদ্য। প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ক্লাবের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯১ সালে কিংবদন্তি Dhiren De-র উত্তরসূরি হিসেবে সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। সেই সময় নানা সংকটের মুখে থাকা ক্লাবকে নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে যান তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব।
Anjan Mitra-র সঙ্গে তাঁর প্রশাসনিক জুটি ময়দানে এক বিশেষ অধ্যায় তৈরি করেছিল। ক্লাবের ভোটব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা থেকে শুরু করে পরিকাঠামোর উন্নয়ন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছিল তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। মোহনবাগানকে কর্পোরেট বিনিয়োগের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান কারিগর। বিশেষ করে RPSG Group-এর সঙ্গে ক্লাবের সংযুক্তিকরণে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
২০১৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন টুটু বসু। পরবর্তীকালে কোনও আনুষ্ঠানিক পদে না থাকলেও সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক। বিদেশি ফুটবলার সই করানো হোক বা আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলা—মোহনবাগানের কঠিন সময়ে বারবার সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু মোহনবাগান নয়, শোকপ্রকাশ করেছে East Bengal FC এবং Mohammedan Sporting Club-ও। ময়দানের অনেক কর্তার মতে, কলকাতা ফুটবল আজ একজন বড় মনের মানুষকে হারাল।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top