রাজ্য – রাজ্য রাজনীতিতে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ এবং টলিউডে প্রভাবশালী যোগসূত্র নিয়ে জোর চর্চার মাঝেই সামনে এল বিশ্বাস পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনের বড় সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন জুঁই বিশ্বাস।
এই সিদ্ধান্ত যে হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি, তা স্পষ্ট করেছেন জুঁই নিজেই। ২০১৯ সাল থেকেই তাঁরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা থাকছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে জুঁই বিশ্বাস বলেন, “তিন মাস আগে থেকেই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু আমরা ২০১৯ সাল থেকেই সেপারেশনে আছি।”
স্বরূপ ও জুঁই বিশ্বাসের দুই মেয়ে রয়েছে। ডিভোর্সের পর সন্তানদের দায়িত্ব কার কাছে থাকবে, সেই প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে চাননি জুঁই। তাঁর কথায়, “এই বিষয়টি বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।”
দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী তৃণমূল কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত জুঁই বিশ্বাস সম্প্রতি নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্ক এবং বিচ্ছেদ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি কোনও আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বহুদিন ধরেই আলাদা থাকার পর এবার আইনি স্বীকৃতির পথে হাঁটছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, কলকাতায় ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির আগমন এবং যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়েও আলোচনায় এসেছিল জুঁই বিশ্বাসের নাম। ‘মেসি গোট টুর’-কে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এফআইআরে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পাশাপাশি জুঁই বিশ্বাসের নামও উঠে আসে। ওই অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিলেন শতদ্রু দত্ত।
সব মিলিয়ে রাজনৈতিক ও বিনোদন জগতের আলোচিত এই পরিবারকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। দীর্ঘদিনের দূরত্বের পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটায় কার্যত সমস্ত জল্পনায় সিলমোহর পড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ও টলিপাড়ার একাংশ।




















