রাজ্য – ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে জেল খেটেছিলেন যে ৩২৫ জন ‘লোকতন্ত্র সেনানী’, তাঁদের সংবর্ধনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়ও। প্রত্যেক সংবর্ধিত ব্যক্তির হাতে তাম্রপদক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের সম্মান জানানো হয়।
অনুষ্ঠান থেকেই ‘লোকতন্ত্র সেনানী’দের জন্য একাধিক সুবিধার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াত এবং সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কোনও সংবর্ধিত ব্যক্তি প্রয়াত হয়ে থাকলে তাঁর স্ত্রী বা স্বামী এই সুযোগ-সুবিধাগুলি ভোগ করতে পারবেন বলেও ঘোষণা করা হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানের কথাও স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম এবং সনাতন সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। বর্তমান প্রজন্মের কাছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ও ভূমিকা তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জরুরি অবস্থার সেই ভয়াবহ সময়ের স্মৃতিচারণা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গোটা দেশে প্রায় এক লক্ষ মানুষকে জেলবন্দি করা হয়েছিল, যার মধ্যে বাংলার অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ ছিলেন। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের সেই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে যাঁরা জেলের অন্ধকারে দিন কাটিয়েছিলেন, তাঁদের ত্যাগের কারণেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।




















