রাজ্য – শনিবারের পর রবিবারও ভবানী ভবনে হাজির হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়। এ দিন সাদা জামা পরে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। শনিবার টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সেই জেরার পরই তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যান। শনিবারই তাঁকে ফের রবিবার হাজির হওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই এ দিন সকালে ভবানী ভবনে হাজির হন সুমিত।
শনিবার সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ নিয়ে ভবানী ভবনে হাজির হয়েছিলেন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যান সুমিত। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণা মামলায় শুক্রবার রাতে তাঁকে তলবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই শনিবার নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি।
জমি কেলেঙ্কারি-সহ মোট চারটি মামলা সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে সেই জামিনের অন্যতম শর্ত হিসেবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ রয়েছে। সেই কারণেই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ক্যামাক স্ট্রিট থেকেই মাফিয়া রাজ নিয়ন্ত্রণ করা হত। তাঁর দাবি, তদন্তের সমস্ত পথ শেষ পর্যন্ত ক্যামাক স্ট্রিটেই গিয়ে পৌঁছবে।




















