রাজ্য – মাত্র ১৭ বছর বয়সে টেলিফিল্ম ‘ইচ্ছে ডানা’র মাধ্যমে অভিনয় জগতে হাতেখড়ি হয় সায়নী ঘোষের। পরবর্তীতে ‘নটবর নট আউট’ সিনেমায় ছোট চরিত্রে অভিনয় করলেও রাজ চক্রবর্তীর ‘শত্রু’ এবং ‘প্রলয়’ ছবির মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান টলিউডে। ধীরে ধীরে টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী থেকে তিনি পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠেন।
রাজনৈতিক জীবনে সায়নী ঘোষকে ঘিরে বরাবরই চর্চা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু তৈরি হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হল তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে তাঁর অবস্থান বদল। সূত্রের দাবি, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত হলেও এখন তিনি দলের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল যে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে পারেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটে বুধবার, যখন জানা যায় তিনি কাকলির নেতৃত্বাধীন শিবিরে যুক্ত হয়েছেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পাঠানো একটি চিঠিতেও তাঁর সই রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত মিলছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। বিষয়টি ঘিরে এখন তৃণমূলের ভেতরে ও বাইরে চর্চা তুঙ্গে।



















