রাজ্য – তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়াফুল প্রতীকের প্রকৃত অধিকার কার, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে মুখোমুখি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবির। শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর কমিশনের তরফে দু’পক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করা হয়। সেই বৈঠকের পরই রাতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠিয়ে নতুন করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কালীঘাটপন্থী তৃণমূল।
দলের হয়ে চিঠিটি পাঠিয়েছেন সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। সেখানে তাঁর অভিযোগ, ঋতব্রত শিবির নিজেদের দাবির সমর্থনে কমিশনের কাছে ঠিক কী কী নথি জমা দিয়েছে, তা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষকে জানানো হয়নি। একইসঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটে তৃণমূলের মূল সংবিধানের সর্বশেষ তথ্য আপলোড করা হয়নি বলেও চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।
ডেরেকের বক্তব্য, দলের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ২০২৭ সালে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই হিসেবে এখনও পর্যন্ত সরকারি ও দাপ্তরিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দলের চেয়ারপার্সন বলে দাবি করেছে কালীঘাট শিবির। ফলে দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন নিয়ে ঋতব্রত শিবির যে অভিযোগ তুলেছে, তার আইনগত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে চিঠিতে।
নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের এই দাবি-পাল্টা দাবির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাজনৈতিক মহলের। কমিশনের কাছে জমা দেওয়া নথি এবং দুই পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এগোবে গোটা প্রক্রিয়া।



















