SIR নিয়ে পোস্ট ঘিরে মহুয়া মৈত্রকে ১০ কোটির মানহানির নোটিস মুখ্যসচিবের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি

SIR নিয়ে পোস্ট ঘিরে মহুয়া মৈত্রকে ১০ কোটির মানহানির নোটিস মুখ্যসচিবের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে সমাজমাধ্যমে করা পোস্ট ঘিরে আইনি বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। নোটিসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিতর্কিত পোস্ট দুটি মুছে ফেলা, নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা চাওয়া এবং মানহানির ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য না করার লিখিত অঙ্গীকারও চাওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

নোটিসে মনোজ আগরওয়ালের পেশাগত সততা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে আগরওয়াল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ও আইন মেনেই দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় বেআইনি কাজ বা ভোটে কারচুপির অভিযোগও নোটিসে অস্বীকার করা হয়েছে।

আইনি নোটিসে মহুয়া মৈত্রের এক্স হ্যান্ডেলের দুটি পোস্টের উল্লেখ রয়েছে। গত ৩ অক্টোবরের একটি পোস্টে মনোজ আগরওয়াল এবং সুব্রত গুপ্তের ছবি প্রকাশ করে তাঁদের বাংলার SIR প্রক্রিয়ার দুই প্রধান স্থপতি বলে উল্লেখ করেন তৃণমূল সাংসদ। সেই পোস্টে তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজের অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। নোটিসে দাবি করা হয়েছে, ওই পোস্টের ফলে আগরওয়ালের পেশাগত মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, মনোজ কুমার আগরওয়াল ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ১১ মে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যের মুখ্যসচিব। SIR প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই তাঁর পাঠানো আইনি নোটিস বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অন্যদিকে, নোটিস পাওয়ার পরেও সমাজমাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি মুখ্যসচিবকে উদ্দেশ্য করে ১০ কোটি টাকা এবং জেলে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কটাক্ষ করেন। ফলে SIR-কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি মুখ্যসচিব ও তৃণমূল সাংসদের মধ্যে আইনি সংঘাতও আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top