চোরবাগানে ভাঙল ঐতিহ্যের ধারা! মণ্ডপে লক্ষ্মীপুজো নয়, অস্থায়ী মঞ্চে আয়োজন; ঘটনাস্থলে পুলিশের পুনর্নির্মাণ

চোরবাগানে ভাঙল ঐতিহ্যের ধারা! মণ্ডপে লক্ষ্মীপুজো নয়, অস্থায়ী মঞ্চে আয়োজন; ঘটনাস্থলে পুলিশের পুনর্নির্মাণ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা

প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য মণ্ডপ খালি করা গেলেও, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে চোরবাগানে এ বার আর মণ্ডপে লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন করা সম্ভব হল না। দুর্গাপুজোর সময় পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর চোরবাগানের পুজোমণ্ডপটি আপাতত বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটের অধীনে ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের কোনও পরিবর্তন করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রবিবার ক্লাবঘরের পাশের একটি অস্থায়ী মঞ্চে লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন করতে হয়।

একদিকে অস্থায়ী মঞ্চে চলছিল লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি, অন্যদিকে দুর্ঘটনার তদন্তে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযুক্ত ঘোষক সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। পাশাপাশি, গ্রেফতার হওয়া আর এক ঘোষক কুশল মজুমদারের সমাজমাধ্যমে করা একটি পোস্ট ঘিরেও পুলিশকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর, মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জন দর্শনার্থীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন আরও ২৫ জন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়।

সিটের প্রধান তথা কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী গত বৃহস্পতিবার পুজোমণ্ডপ পরিদর্শন করেন। তদন্তের স্বার্থে প্যান্ডেল সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা যাবে না বলে তিনি জানান। তবে ঐতিহ্য ও রীতি মেনে প্রতিমা নিরঞ্জনে কোনও বাধা নেই বলেও স্পষ্ট করা হয়।

তদন্তকারীদের আশঙ্কা, ঘটনাস্থলে কোনও পরিবর্তন করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেই কারণেই মণ্ডপটি সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। ফলে বহু বছরের প্রথা বজায় রাখা সম্ভব না হলেও, ক্লাবঘরের পাশের অস্থায়ী মঞ্চে সম্পন্ন হল এ বারের লক্ষ্মীপুজো। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও সিট।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top