সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় তপ্ত উপসাগর, সন্দেহের তির ইরানের দিকে

সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় তপ্ত উপসাগর, সন্দেহের তির ইরানের দিকে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৬ই মে: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলতি সংঘাতের আবহেই আরও জটিল হল পারস্য উপসাগরের পরিস্থিতি। সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দু’টি তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা চালিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা।সৌদির অভিযোগ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ফুজাইরা শহরের কাছে পারস্য উপসাগরের উপর সোমবার রাতে এই হামলা চালানো হয়। বড় কোনও জলযান জোরাল ধাক্কা মারে এবং বিস্ফোরণ ঘটায় দুটি সৌদি তেল বোঝাই জাহাজে। এর জেরে তেল ট্যাঙ্কার বোঝাই জাহাজ দু’টির বড় অংশ ভেঙে তুবড়ে গিয়েছে। জাহাজ ফুটো হয়ে কিন্তু অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম জলে মেশেনি। তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার দু’টি নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই হামলায় কেউ হতাহত হননি। সৌদি আরবের দাবি, পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বাড়াতেই এবং তাদের তেল নির্ভর অর্থনীতির ক্ষতি করতে পরিকল্পিতভাবে এই নাশকতা তথা হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারা হয়েছিল যাতে বিস্ফোরণে তেল ট্যাঙ্কারবাহী জাহাজের কনভয়টাই উড়ে যায়। সেটা হলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারত এবং শতাধিক নাবিক ও জাহাজকর্মীর মৃত্যু হতে পারত। পারস্য উপসাগর জাহাজ চলাচলের অযোগ্য হয়ে যেত। সার্বিকভাবে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলির অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতি হত।

তবে সৌদি আরব এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলতে চায়নি। সৌদি আরবের ইঙ্গিত ছিল শত্রু দেশ ইরানের দিকে। ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক উপসাগরীয় দেশগুলিকে সতর্ক করে দিয়েছে, এই গাফিলতি বা দুর্ঘটনা থেকে সব দেশকে সাবধান থাকতে হবে না হলে সংঘাত বা যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে কাতার, বাহরিন, ইরাক, ইরান, কুয়েত, ওমান, আমিরশাহী, জর্ডন। কারণ এই দেশগুলির যাবতীয় তেল ব্যবসা, আমদানি, রপ্তানি চলে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি নিয়ে তীব্র সংঘাত চলছে। এই সংঘাতের মধ্যেই সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে নাশকতার ঘটনা উত্তেজনাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top