
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,২৭ শে জুলাই :বিজেপি রাজনৈতিক কারণে সিবিআই, ইডি ব্যবহার করে” ফিরহাদ হাকিম।
২০০০ সালের ২৭ শে জুলাই সুঁচপুরে ১১ জন তৃণমূল সমর্থককে খুন হোন। অভিযোগ ওঠে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের দিকে। তারপর থেকেই প্রতিবছর ওই দিনটিতে নানুরের সুঁচপুরে পালিত হয় নানুর দিবস অথবা শহীদ দিবস। আজ এই নানুর দিবস বা শহীদ দিবসে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি শহীদ দিবস পালনের পর সিবিআই এবং ইডি নিয়ে বিজেপিকে ঝাঁঝালো আক্রমণ করেন।
তিনি বলেন, ” বিজেপি তাদের রাজনৈতিক কারণে সিবিআই, ইডি এগুলো ব্যবহার করে। এটা নতুন কিছু নয়, বিরোধীদের সকলকে সিবিআই, এডিতে দেয়। যেখানে অমিত সাহা সিবিআইয়ের কাস্টডিতে ছিল, এখানে বিজেপি আসার পরে তাকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে। সিবিআইকে বলা হতো সেন্ট্রাল গভমেন্টের তোতা পাখি, সুপ্রিম কোর্ট বলেছে। আজকে সেটা সত্য বলে প্রমাণ হচ্ছে।”
এরপরই তিনি সুর চড়িয়ে বলেন, “ধমকে চমকে আমাদের এমপিদের মোদি মোদি করানো যাবে না। ওই একটা দুটো মুকুল রায় হবে, কিন্তু আমরা বলি, সারফারোশি কি তামান্না আব হামারে দিল মে হ্যাঁ, দেখ না হ্যাঁ জোড় কিতনা কাতিলে মোদি মে হ্যাঁ।”
আজ তিনি কাটমানি প্রসঙ্গে বলেন, “যে আধিকারিক কাটমানি খেয়েছে, যে বামফ্রন্ট নেতা কাটমানি খেয়েছে, যে কংগ্রেস নেতা কাটমানি খেয়েছে, যে বিজেপি নেতার কাছে ব্ল্যাকমানি আছে, তৃণমূলের অল্পসংখ্যক কেউ যদি অন্যায় করে থাকে, তার আইন অনুযায়ী বিচার হবে। তাই মমতা ব্যানার্জি সাধারণ মানুষদের সচেতন করার জন্য বলেছেন, আপনার অধিকার, আপনি বুঝে নিন। উজালা গ্যাসের কাটমানি দেবেন না, উজালা গ্যাসের কাটমানি দিতে দেব না।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আজ এই নানুরের শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রী আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কাজল শেখ, মলয় ঘটক, জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী, মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, বীরভূম জেলা সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিংহ প্রমূখ।



















