নিজস্ব সংবাদদাতা,দক্ষিণ ২৪ পরগনা ,১৪ই আগস্ট :দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বজবজ এর পুজালি পৌরসভার ষোলজন জন কাউন্সিলর এর মধ্যে ১৪ জন কাউন্সিলর পৌর চেয়ারপারসন রিতা পালের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ।গতকাল এই অনাস্থার একটি কপি পৌরসভার রিসিভ করানো হয় এবং পৌর মাতা রিতা পাল কে দেওয়া হয়, আরেকটি কপি আলিপুরের এসডিও কে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে আমরা ভাইস চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান ফজলুল হক মহাশয় এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে অনাস্থার বিষয়টি স্বীকার করলেও ক্যামেরার সামনে কোন কিছু বলতে অস্বীকার করেন।এই প্রসঙ্গে পুজালীর চেয়ারপারসনকে অনাস্থা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হকের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ এর কারণেই এই অনাস্থা, উনি বহুবার জানার চেষ্টাও করেছেন ওনার অপরাধ টা কি, কি ওনার ভুল কোন কারো কাছ থেকেই তার সদুত্তর পাওয়া যায়নি।পূজালী র একমাত্র ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আমিরুল ইসলাম তিনি এই অনাস্থায় সই করেননি। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন যখন ফজলুল হক এর সঙ্গে কারোর মতবিরোধ হয়, বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে এই ভাবেই অনাস্থা এনে পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

তিনি বলেন কোনো এক সময় তিনি পূজালী টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে থাকলেও ফজলুল হক ঠিক একই পদ্ধতিতে অনাস্থা এনে তাকে এই পথ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। যদিও তিনি এর পাশাপাশি জানান যে আমার কখনো কোনদিন মনে হয়নি রিতা পাল কোন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত আছে। আসলে যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তারাই ভয় পেয়ে এই ধরনের অনাস্থা আনার পদ্ধতি নিচ্ছেন। বাস্তবে আমি চেয়েছিলাম অডিট করা হোক, অডিটে যার দোষ ধরা পড়বে তার বিরুদ্ধে দল বা পৌরসভা ব্যবস্থা নিক।কিন্তু তা হয় নি।



















