
দিল্লি : এবার সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে কাশ্মীর যাচ্ছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সঙ্গে তৃণমূল সহ ৯টি বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা।আজ শনিবার দুপুরেই শ্রীনগর যাওয়ার কথা রয়েছে রাহুল গান্ধীর। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকে জানিয়েছিলেন তিনি কাশ্মীরে যাবেন। কিন্তু পরে সত্যপাল মালিক দাবি করেছিলেন, রাহুল গান্ধী কাশ্মীরের শান্তি বিঘ্নিত করতে চাইছেন। তবে, রাজ্যপালের সেই অভিযোগ উড়িয়ে কাশ্মীরে যাচ্ছেন রাহুল-সহ বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা।বিরোধীদের এই প্রতিনিধিদলে থাকছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিও।
কংগ্রেস সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর বারোটা নাগাদ কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন রাহুল গান্ধী। তাঁর সঙ্গে যাচ্ছেন সিপিআইএম-এর সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের ডি রাজা, ডিএমকের ত্রিরুচি শিবা, আরজেডির মনোজ ঝাঁ, তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদী। প্রতিনিধিদলে থাকেন এনসিপির এক প্রতিনিধিও। কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে গুলাম নবি আজাদ এবং আনন্দ শর্মাও থাকবেন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। এদের মধ্যে গুলাম নবি আজাদ, সীতারাম ইয়েচুরি এবং ডি রাজা। আগেও শ্রীনগর গিয়েছেন। কিন্তু তাদের বিমানবন্দরেও আটকে দেওয়া হয়। গুলাম নবি আজাদকে এখনও পর্যন্ত দু’বার আটক করা হয়েছে শ্রীনগর বিমানবন্দরে। রাহুল গান্ধী এবং বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের আজও আটক করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
শ্রীনগরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলা ও কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখার কথা জানান তিনি। কাশ্মীরে শান্তি অটুট রাখার স্বার্থে এখনো পর্যন্ত অন্তত প্রায় ৪০০ রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং গ্রেপ্তার বা আটক রয়েছেন। এদিকে, রাহুল গান্ধীর এই কাশ্মীর যাত্রাকে ভালো চোখে নেয়নি কাশ্মীর প্রশাসন বলে সূত্রের খবর । কাশ্মীর সরকারের তরফ এলাকার শান্তি রক্ষার স্বার্থে রাহুল এবং অন্যান্য বিরোধীদের কাশ্মীরে না যাওয়ার আরজি জানানো হয়েছে। রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক ফের বলছেন, কাশ্মীরের শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশেই কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী।


















