
সুষমা স্বরাজের পর এবার প্রয়াত প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নয়াদিল্লির এইমসের ভরতি ছিলেন তিনি৷তার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিত্সার দায়িত্বে থাকা ডাক্তারদের দল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু বিপদ এড়ানো গেল না। ৬৬ বছর বয়সে চলে গেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।
শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গত ৯ আগস্ট সকালে এইমসে ভরতি করা হয় অরুণ জেটলিকে৷ প্রথমে কার্ডিওলজি বিভাগে ভরতি করা হয় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তৈরি হয় মেডিক্যাল টিম৷ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তরিত করা হয়৷ জেটলি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়াও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্মৃতি ইরানি থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা অভিষেক সিংভি, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও এইমস-এ জেটলির খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত বছর ২০১৮ থেকে কিডনি সমস্যা থেকে ভুগতে থাকেন তিনি৷ ডায়ালিসিস শুরু হয়৷ কিডনি প্রতিস্থাপনও হয়৷ তারপর ধরা পড়ে ক্যানসার৷ অসুস্থতার জেরে মোদীর মন্ত্রীসভায় মন্ত্রকের দায়িত্ব নিতেও চাননি তিনি। সেজন্যই ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থমন্ত্রী হয়েও প্রথম মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে দেখা যায়নি তাঁকে৷ তাঁর দায়িত্ব পালন করেন পীযূষ গোয়েল৷ উল্লেখ্য, মোদী-১ ক্যাবিনেটে তিনি অর্থমন্ত্রী থাকার সময়ই জিএসটি ও নোটবন্দির মতো বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।



















