
রায়া সাধুঃ পুজো পুজো পুজো। হাতে গোণা মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি। তারই মাঝে ফিনিশিং টাচ দিতে প্রস্তুত সকলেই। ক্ষুদে থেকে বর্ষীয়ান সকলে পুজোর কেনাকাটায় ব্যস্ত। তাই ঢুঁ দিয়ে চলেছেন এ দোকানে সে দোকানে। শাড়ি-ল্যাহেঙ্গা কিংবা ওয়েস্টার্নের সঙ্গে ম্যাচিং জুয়েলারিটাই কেবল বাকি। এটাতো গেলো মহিলা সাজ সরঞ্জাম।

পুরুষেরাও বাদ যায় কোথায়! রীতিমত দুপুরে প্যাণ্ডেল হপিংয়ের প্লান সেরে ফেলেছে ইতিমধ্যে। আর তাই চাই রকমারি স্টাইলের রঙিন রোদ চশমা নয়তো চমৎকার হাত ঘড়ি। বছরে দশটা না, পাঁচটা না, বাঙালীর একমাত্র শ্রেষ্ঠ উৎসব এই দুর্গাপুজো। আর পুজোর দিনগুলিতে সেজেগুজে ফুলটুসি হয়ে নজর কাড়তে হবেই। তাই চূড়ান্ত পর্যায়ের মাজা ঘষা চলছে পার্লারগুলিতে।

শুধু দেবী নয়, আজকাল কার্তিক ঠাকুরের লুক নিয়ে হৃদয় হরণ করতে সদা ব্যস্ত ফুলবাবুরা। সামনেই মহালয়া, দেবীপক্ষ শুরু হলেও কেনাকাটা থেকে সাজুগুজুর ধুম আপাতত বেশ তুঙ্গে। আর তাঁর ছাপ পড়েছে শহরের নাম করা বাজার চত্বর গুলিতে। গড়িয়াহাট, হাতিবাগান, ধর্মতলায় মানুষের ঢলে যেন উপচে পড়ছে ভিড়। বার্গেনিংয়ে সিদ্ধহস্ত মহিলারা সেই ভিড়কেও তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছেন পুজো শপিং।


















