২৯ নভেম্বর, দ্রুত বেগে বইছে হাওয়া, চারপাশে জমছে বরফের স্তুপ। একদিকে আমেরিকা উৎসবের প্রস্তুতিতে ছুটি কাটাতে মত্ত তখনই সেই ছুটির ছুটি করেদিল এই বম্ব সাইক্লোন। পরপর ঝড়ে বিধ্বস্ত হচ্ছে একএক এলাকা। সাইক্লোনের দাপটে নাজেহাল অবস্থা আমেরিকার।
‘বম্ব সাইক্লোন’-এর জেরে বন্ধ বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে তুষারঝড়ে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে একজনের। পাঁচ শতাধিক উড়ান বাতিলের জন্য সমস্যায় পড়েছে সাধারণ মানুষ। ঝড়ের প্রভাবে ঘণ্টায় ১০০ মাইলের বেশি গতিবেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে, যা হারিকেনের গতির চেয়েও বেশি।
সাধারণত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হঠাৎ করে অন্তত ২৪ মিলিবার বায়ুচাপ কমে গেলে সেই ঝড়কে ‘বম্ব সাইক্লোনে’ বলা হয়। এখন আমেরিকায় বায়ুচাপ ১০২০ মিলিবার থেকে ৯৭০ মিলিবার পর্যন্ত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ‘যেখান থেকে এই ঝড়ের উৎপত্তি, সেখান থেকে এত শক্তিশালী ঝড় কখনও হতে দেখিনি’। জানা যায় এর আগে ২০১০ সালের শীতকালীন ঘূর্ণিঝড়ের সময় বায়ুচাপ ৯৭৮ মিলিবার পর্যন্ত নেমেছিল। তুষারপাত, ঝোড়ো বাতাস, সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে উত্তাল সমুদ্র সব মিলিয়ে এক ভয়ঙ্কর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে আমেরিকায়।



















