
১৪ এপ্রিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে নোভেল করোনা ভাইরাস। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এ দেশে সংক্রমণ আটকানোর প্রয়াস বহু দ্রুত শুরু হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে চলছে লকডাউন।মার্কিন মুলুকে করোনার ভয়াবহতা চিন, ইটালিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। ভারতেও অব্যাহত করোনা ভাইরাসের দাপট। দেশে মৃতের সংখ্যা ৩০৮। আক্রান্ত ৯ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৮৫৭ জন। প্রথম এদিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল লকডাউন তোলার কথা ছিল তারপর তা ৩০ শে এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়, কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে দেওয়া বার্তায় বলেন, সংক্রমণ রুখতে আরও বাড়াতে হবে লকডাউন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ৩০ এপ্রিল থেকে আরও মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হল। স্পর্শকাতর এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সিল করার পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাটের পর পশ্চিমবঙ্গেও বাড়ির বাইরে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এদিন তিনি বলেন, আজ পয়লা বৈশাখ, বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন, পাশাপাশি গোটা ভারত উৎসবে সমৃদ্ধ।সেখানে বাঙালি পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবে ঘরে থাকছেন, গরিব পরিবারগুলো কষ্ট সহ্য করেও ঘরে থেকেছে, অনেকে লকডাউনের জেরে পরিজনের থেকে আলাদা, বহু সংসারে খাদ্যাভাব, তা সত্ত্বেও দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করছেন আজ সকল দেশবাসী।কিন্তু শুধুমাত্র ২১ দিনে কিছু ঠেকানো তেমন সম্ভব নয় তাই বাধ্য হয়ে ৩ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হল বলে জানালেন মোদী।



















