
২১ এপ্রিল, করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে চলেছে লকডাউন।ক্রমশ বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ।শেষমেশ ২০ তারিখের পর কিছু সরকারি সংস্থা সহ কিছু কাজে ছাড় মিলেছে।খুব সচেতনতার সঙ্গে চলছে জনজীবন।অনেকেরই আশা ছিল প্রথম লকডাউন শেষে আবার গমগম করবে স্টুডিও পাড়া।কিন্তু লাইট, সাউন্ড, ক্যামেরার অভাবে নো অ্যাকশন মোড টলিপাড়ায়।এদিকে টলি ইন্ডাস্ট্রিতে দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে যাঁরা কাজ করেন, লকডাউনে তাদের অবস্থা অনেকটা শোচনীয়।এ সকল সমস্যার কথা ভেবে শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় আর্টিস্ট ফোরাম।ইতিমধ্যেই ফোরামের তরফে ৫ লক্ষ টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে।প্রতিষ্ঠিত অভিনেতাদের সাথে বিসিসিআইয়ের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন।
চেনা পরিচিত শিল্পীদের বাইরে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা শুধুমাত্র অভিনয়ের নেশায় সামান্য কিছু টাকাতে এই পেশায় পড়ে আছেন বছরের পর বছর। বিশেষত যাঁরা বিভিন্ন ছবি, সিরিয়াল, ওয়েব সিরিজে ছোটখাটো চরিত্রে নামমাত্র পারিশ্রমিকে অভিনয় করেন।এই লকডাউনে তারা অনেকটাই সমস্যায় পড়েছেন।শুধুমাত্রই সৌরভ নয়, অভিনেতা জিৎ, বাংলা টকিজ এবং শ্যাডো ফিল্মস নামক ওই দুই সংস্থা, চিরঞ্জিৎ, অপরাজিতা আঢ্য, এনা সাহা- অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
অসহায় শিল্পীদের সাহায্যেই ওয়েস্টবেঙ্গল মোশন পিকচার আর্টিস্টস ফোরামের তরফে প্রাথমিক ভাবে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি মানবিক তহবিল গঠন করা হয়েছিল। যেখানে এখনও পর্যন্ত ১৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ১০৯ টাকা জমা পড়েছে। আর্টিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আপাতত এপ্রিল মে, জুন , ২০২০ এই তিন মাস দুঃস্থ শিল্পীদের জনপ্রতি মাসিক ২০০০ টাকা করে সাহায্য করার সংকল্প নিয়েছি। এই বিষয়ে সদস্যদের আবেদন করতে বলায় এখনও পর্যন্ত ৫১২ জন আবেদন করেছেন এবং প্রতিদিনই নতুন নতুন আবেদন আসছে।”
সবমিলিয়ে টলি-ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে? তাই এবার ভাববার বিষয়।যদিও কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই জেতার ব্যাপারে আশাবাদী ওয়েস্টবেঙ্গল মোশন পিকচার আর্টিস্টস ফোরাম।লকডাউন চলাকালীন আপাতত ইন্ডাস্ট্রিরই অংশ ওই সব মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে চায় তারা।


















