করোনার প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে সাফল্যে পথে আরও একধাপ এগোলো অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

করোনার প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে সাফল্যে পথে আরও একধাপ এগোলো অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

১৬ মে, দ্রুতই ভ্যাকসিনটি বিশ্বব্যাপী করোনা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনোলজির অধ্যাপক সারা গিলবার্ট গবেষণা দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।করোনা প্রতিরোধে প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। বলা যেতে পারে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে সাফল্যে পথে আরও একধাপ এগলেন তাঁরা।মানুষের শরীরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনা প্রতিষেধক পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পাশাপাশি পরীক্ষাগারে বাঁদরের উপরেও এটি প্রয়োগ করে দেখা হয়েছিল। এই উদ্দেশ্য হল, এই প্রতিষেধকটির প্রয়োগে শরীরে কোনও রকম ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় কিনা, তা দেখে নেওয়া।

সারা গিলবার্ট বলেন, আমরা ৮০ ভাগ সাফল্যের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে এটুকু বলতে পারি, করোনার ভ্যাকসিন সফলভাবে তৈরি করতে পেরেছি আমরা। এই আত্মবিশ্বাসের কারণে ইতিমধ্যে ব্রিটেন বেশ বড় আকারের অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে দলটিকে।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভাল ফল মিলেছে এই পরীক্ষায়। পরীক্ষাগারে বাঁদরের উপর প্রতিষেধকটি প্রয়োগের পাশাপাশি করোনাভাইরাসও প্রবেশ করানো হয় ওদের শরীরে। দেখা গিয়েছে, ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে এই প্রতিষেধকটি (ChAdOx1 nCoV-19)। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, এই প্রতিষেধকটির প্রয়োগে ওই বাঁনরদের শরীরে কোনও ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলেই জানিয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। এর ফলে মানুষের উপরেও এই প্রতিষেধকটি প্রয়োগের ভরসা পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

অনেক সময় কোনও প্রতিষেধকের প্রয়োগের ফলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে অন্যান্য একাধিক মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই মানুষের শরীরে এই প্রতিষেধকটির (ChAdOx1 nCoV-19) কোনও ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় কিনা, সেটাই এখন দেখে নিতে চান বিজ্ঞানীরা। খুব শীঘ্রই সেই পরীক্ষা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। অর্থাৎ, করোনার প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি পর্ব শুরু করে দিলেন বিজ্ঞানীরা।সারা বিশ্বে ত্রাশ সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস কেড়েছে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে লকডাউন চলছে বিশ্বের শতাধিক দেশে। তবে শুধুমাত্র সতর্কতা বা লকডাউনে রোখা যাবে না করোনা সংক্রমণ। রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছে, প্রতিষেধক ছাড়া করোনাভাইরাসকে রোখা অসম্ভব!

গত সপ্তাহে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউট মানবদেহে করোনাভাইরাসের পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে। বিজ্ঞানীরা তাদের এ পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে ব্যাপক আকারে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top