লকডাউনের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের বইমুখী করে রাখতে প্রাচীন বেদে ভার্সা প্রশাসনের।

লকডাউনের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের বইমুখী করে রাখতে প্রাচীন বেদে ভার্সা প্রশাসনের।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে লাগু হয়েছে লকডাউন। লকডাউনের কারণে বন্ধ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা। সাথে সাথেই বন্ধ রাজ্য ও দেশের সমস্ত স্কুল। স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে পড়াশোনা থেকে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রীর। এই দূরত্ব যাতে কোনভাবেই না থাকে লকডাউনের সময় স্কুল বন্ধ থাকলেও ছাত্রছাত্রীরা যাতে সুন্দরভাবে পড়াশোনা করতে পারে এবং পড়াশোনার সাথে জড়িয়ে থাকতে পারে সে কারণেই প্রাচীন বেদেই ভরসা করছে প্রশাসন।

বীরভূমের সিউড়ির এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত দুটি আদিবাসী পাড়ায় পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে এই নতুন ধরনের পড়াশোনার পদ্ধতি। একদিকে মল্লিকপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গজালপুর আদিবাসী পাড়া, অপরদিকে নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নগরী আদিবাসী পাড়া। দুটি আদিবাসী পাড়াতেই দেখা যাচ্ছে একই ছবি।গ্রামে ঢুকলেই আপনার কানে ভেসে আসবে পড়াশোনা শব্দ। প্রাচীনকালে বেদ প্রথার মাধ্যমে যেভাবে শুনে শুনে মুখস্ত করতে হতো ঠিক একই পদ্ধতি এখানেও। গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হয়েছে স্পিকার। স্কুলের ভেতর থেকে অপারেট করা হচ্ছে সেই স্পিকার। এবং তাতে চলছে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করা অডিও। এবং ছাত্রছাত্রীরা রয়েছে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা দূরত্ব বজায় রেখেই বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীদের বাড়িতে যাচ্ছেন এবং দেখাশোনা করছেন তারা ঠিকঠাক পড়াশোনা করতে পারছে কিনা।

একজন শিক্ষকের মতে লকডাউন এর কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে তাই পড়াশোনা থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। সে কারণেই এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। যদি এই পদ্ধতি থেকে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করতে পারে তাহলে পরবর্তী ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি চালু থাকবে। ছাত্ররাও বলছেন পড়াশোনা হচ্ছে ভালো। বাড়ির বাইরে থাকি বা ভেতরে যেখানেই থাকি না কেন কানে ভেসে আসছে পড়াশোনার শব্দ। এতে আমাদের মুখস্ত হচ্ছে সবকিছু ভালো।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top