জ্বালানি সাশ্রয়ে ফের অনলাইন ক্লাসের পরামর্শ মোদীর, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এও জোর প্রধানমন্ত্রীর

জ্বালানি সাশ্রয়ে ফের অনলাইন ক্লাসের পরামর্শ মোদীর, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এও জোর প্রধানমন্ত্রীর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


দেশ- পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমশ বাড়ছে জ্বালানির দাম। সেই আবহে দেশবাসীকে সাশ্রয়ের বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার শুধু ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এ জোর দেওয়াই নয়, স্কুলগুলোকেও অনলাইন ক্লাস চালুর কথা ভাবার পরামর্শ দিলেন তিনি। কোভিড পর্বে সারা দেশে চালু হওয়া ভার্চুয়াল শিক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাকে আরও বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার গুজরাতের ভাদোদরায় সর্দারধাম হস্টেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা অভূতপূর্ব। তবে কোভিড অতিমারির সময় যেমন গোটা দেশ একসঙ্গে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছিল, তেমনভাবেই এই সংকটও সামাল দেওয়া সম্ভব বলে আশাবাদী তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সম্পদের উপর চাপ কমাতে নাগরিকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তাঁর মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে জ্বালানির ব্যবহার অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সেই কারণেই প্রাথমিকভাবে কিছু স্কুলে অনলাইন ক্লাস চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল বৈঠক এবং দূর থেকে কাজ করার সংস্কৃতি আরও বাড়ানোর পরামর্শও দেন।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। কারণ দেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই আমদানির উপর নির্ভরশীল। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারের উপরও চাপ বাড়ছে।
ভাদোদরার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করতে ভারতকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানিকৃত পণ্যের দামও বাড়ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও ধাক্কার মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছোট ছোট উদ্যোগও বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলেই মন্তব্য করেন তিনি।
তবে প্রধানমন্ত্রীর অনলাইন ক্লাস সংক্রান্ত মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। কোভিডের সময় দীর্ঘদিন অনলাইন ক্লাস চলায় পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক বিকাশ এবং পড়াশোনার গুণগত মান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। ফলে নতুন করে সেই ব্যবস্থার ইঙ্গিত বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top