রাজ্য – আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা ডায়মন্ড হারবার এফসি-কে ঘিরে এবার একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ক্লাবের গঠন, আর্থিক লেনদেন এবং পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে।
ক্রীড়ামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডায়মন্ড হারবার এফসি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি ক্লাবের অর্থের উৎস এবং সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
নিশীথ প্রামাণিক আরও জানান, প্রয়োজন হলে ক্লাবের স্পনসরদেরও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তাঁর মতে, ক্লাবে অর্থ কীভাবে আসছে এবং সেই অর্থের উৎস কতটা স্বচ্ছ, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিষয়ে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, যে মাঠে ডায়মন্ড হারবার এফসি অনুশীলন করত, সেখানে বেআইনি দখলের অভিযোগ ছিল। ইতিমধ্যেই সেই জায়গা দখলমুক্ত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তদন্তের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ক্রীড়ামন্ত্রীর কথায়, রাজ্যের ক্রীড়া মন্ত্রক ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএ) সঙ্গেও নিয়মিত আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন, ক্লাবে এমন কিছু ফুটবলারকে নেওয়া হয়েছিল যাঁরা সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সরকার চায় রাজ্যের সমস্ত ক্লাব উন্নতি করুক এবং ভালো খেলুক, কিন্তু কোনও ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ মেনে নেওয়া হবে না।
তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবার এফসি বা ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি সম্পর্কেও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী।




















