রাজ্য – দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় আজ থেকে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার পর এবার সক্রিয় হতে শুরু করেছে মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় মেঘের আনাগোনা বাড়বে এবং বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে বৃষ্টির দেখা মিললেও আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি আপাতত পুরোপুরি কাটবে না বলেই পূর্বাভাস।
আজ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সকাল কিংবা বিকেলের পর বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিও হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলেও দিনের তাপমাত্রা খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে, আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করতে পারে ২৭ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে।
অন্যদিকে কলকাতাতেও আজ সারাদিন আকাশ মূলত মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ৬৬ শতাংশ। দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় প্রায় ১১ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে, যার দমকা গতি ৩২ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। দিনের বেলায় প্রায় ৩.১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকবে। পাহাড় ও সমতলের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বৃষ্টির দাপট তুলনামূলক বেশি হতে পারে। ফলে নদী ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




















