নয়াদিল্লিতে টানা দুই দিনের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা, কংগ্রেস-তৃণমূলের নতুন সমীকরণ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে

নয়াদিল্লিতে টানা দুই দিনের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা, কংগ্রেস-তৃণমূলের নতুন সমীকরণ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দিল্লী – নয়াদিল্লিতে পরপর দুই দিনের শীর্ষস্তরের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। মঙ্গলবার ১০ জনপথে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরদিন বুধবার একই ঠিকানায় প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই ধারাবাহিক আলোচনার পর কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাব্য একত্রীকরণ নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্বই কার্যত খারিজ করে দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে দুই দলের মধ্যে নতুন সমীকরণ গড়ে ওঠার ইঙ্গিতও স্পষ্ট হয়েছে।

তৃণমূল সূত্রের দাবি, দলগত সংযুক্তির কোনও প্রশ্ন নেই। তবে আগামী দিনে কংগ্রেস ও তৃণমূল বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে একসঙ্গে চলতে পারে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তর থেকে শুরু করে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে সমঝোতা বা জোটের পথ খোলা থাকতে পারে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের।

দলের একাংশের বক্তব্য, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী ভোট একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য। সেই কারণেই কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তৃণমূল শিবিরের দাবি। একই সঙ্গে সিপিএম ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের সঙ্গে কার্যত সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বলেও তাদের পর্যবেক্ষণ।

এই প্রেক্ষাপটে রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই আলোচনা— যোগ নয়, জোট। কংগ্রেস ও তৃণমূলের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই নজর এখন জাতীয় রাজনীতির দিকে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top