দেশ – প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারিকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা অব্যাহত। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে সংসদে সরকারকে চাপে ফেলতে প্রস্তুত বিরোধী দলগুলি। অন্যদিকে, বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই সোমবার সংসদে প্রশ্নফাঁস রোধে আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) আইন, ২০২৪-এর সংশোধনী বিল পেশ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রহ্লাদ যোশীর সংসদীয় যাত্রাও এই বিল পেশের মাধ্যমেই শুরু হতে চলেছে।
কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দলের সাংসদ দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে নোটিস জমা দিয়েছেন। ফলে সোমবার সংসদের লোকসভা ও রাজ্যসভা—দুই কক্ষেই এই ইস্যুতে তুমুল বিতর্কের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কংগ্রেসের দাবি, প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি এবং ছাত্র আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকার দায় স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংসদে ক্ষমা চাওয়া উচিত। দলের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, দেশের মানুষ এই ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য এবং জবাবদিহি প্রত্যাশা করছেন।
এদিকে ছাত্র আন্দোলন দমনে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে জানতে চেয়েছেন, আন্দোলন মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল কি না। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




















