রাজ্য – রাজ্যে বেআইনি মাদ্রাসা রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিল নতুন বিজেপি সরকার। এই বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী Khudiram Tudu। তাঁর দাবি, রাজ্যে চলা সমস্ত বেআইনি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং নির্দেশ অমান্য করলে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার বর্ধমানে নিজের বাড়িতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন ক্ষুদিরাম টুডু। সেখানে তিনি বলেন, “কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না।” একইসঙ্গে সরকারি জমি দখল করে কোনও নির্মাণ করা হলে তা উচ্ছেদ করা হবে বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশ ও অসমে যেভাবে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গেও সেই পথেই এগোনো হতে পারে। তাঁর কথায়, “সমস্ত বেআইনি মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে। এরপরেও চালু থাকলে অভিযান চালিয়ে তা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে।”
এদিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতর নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁর অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে একাধিক দফতরে দুর্নীতি ও অনিয়ম বাসা বেঁধেছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিভিন্ন দফতরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। সেগুলিও ভেঙে দেওয়া হবে। সাবধান হয়ে যান, জামা পাল্টে ফেলুন।”
প্রসঙ্গত, Yogi Adityanath সরকারের আমলে গত কয়েক মাসে Uttar Pradesh-এ একাধিক বেআইনি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা মাদ্রাসাগুলির বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয় প্রশাসনের তরফে।
শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, Himanta Biswa Sarma নেতৃত্বাধীন Assam সরকারও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০২০ সালে অসম সরকার সরকারি মাদ্রাসাগুলিকে সাধারণ স্কুলে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়, যা নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছিল।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার পশ্চিমবঙ্গেও বেআইনি মাদ্রাসা ইস্যুতে কড়া অবস্থান নিতে চলেছে নতুন সরকার। মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর মন্তব্যে সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।


















