ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত বাংলা, জেলায় জেলায় অশান্তির অভিযোগ

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত বাংলা, জেলায় জেলায় অশান্তির অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দেখা যাচ্ছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। একাধিক জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠছে, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস-এর কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং দখলদারির অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি-এর বিরুদ্ধে। এমনকি জয়ী প্রার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে।
টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস-এর দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে। যাদবপুরের বিজয়গড়ে তাঁর ‘টালিগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদ’ অফিসে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ, এবং বিজেপি কর্মীরা সেটি দখল করে নেয় বলে দাবি তৃণমূলের।
অন্যদিকে, উদয়নারায়নপুরে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সমীর পাঁজা-র ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, গণনাকেন্দ্রে শংসাপত্র নিতে গেলে একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর চড়াও হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এছাড়াও, তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া-কে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে ঘিরে স্লোগান ও অশালীন মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। মেদিনীপুরে বিজেপি প্রার্থী জয়ের পর তৃণমূলের কার্যালয় দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। হুগলির ডানকুনিতে স্থানীয় তৃণমূল অফিস ভেঙে ফেলার পাশাপাশি সেখানে বিজেপির পতাকা তোলার অভিযোগও সামনে এসেছে। ডানকুনি পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর চিন্ময় নন্দী-র অফিসেও হামলার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম এবং কোচবিহারেও তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও দখলদারির অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রশাসনের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।
ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক হিংসার অভিযোগ বাড়তে থাকায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top