মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য কংগ্রেস যোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক, ইন্ডিয়া জোটে টানাপোড়েনের ইঙ্গিত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য কংগ্রেস যোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক, ইন্ডিয়া জোটে টানাপোড়েনের ইঙ্গিত

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে অন্তর্ভুক্ত করা হলে প্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএম সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করবে—এমনই রাজনৈতিক বার্তা ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে। একই সঙ্গে সিপিএম ইন্ডিয়া জোটে থাকবে কি না, তা নিয়েও পুনরায় আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি চলছে বলে দলের অন্দর সূত্রে জানা যাচ্ছে।

সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যের দাবি, জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতির মাধ্যমে এই অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেই দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বকেও বিষয়টি সম্পর্কে ইন্ডিয়া জোটের সভায় আভাস দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জল্পনা ঘিরে প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেন, “নর্দমার জল গঙ্গাকে অপবিত্র করে।” তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকা নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে। একাংশের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিনিধি পাঠিয়ে দায়িত্ব সীমিত রেখেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক দিল্লি সফরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে তিনি বৈঠকে যোগ দেন, যেখানে কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়।

সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গে উপস্থিত ছিলেন এবং আলোচনায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও কথা হয়েছে। বৈঠকের আগে থেকেই কংগ্রেস ও তৃণমূলের সম্ভাব্য নতুন সম্পর্ক নিয়ে সিপিএম নেতৃত্ব সতর্ক ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই কারণেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে পলিটব্যুরোর পরিবর্তে জন ব্রিটাসকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরপর রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একান্ত বৈঠকের পর কংগ্রেস-তৃণমূল সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সব মিলিয়ে ইন্ডিয়া জোটের অভ্যন্তরে টানাপোড়েন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top