সমাজের জন্য কাজ করা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সভাপতির, বাংলায় জনসংযোগে জোর

সমাজের জন্য কাজ করা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সভাপতির, বাংলায় জনসংযোগে জোর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দেশ – সমাজের জন্য কাজ করেন এমন ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ না দেখে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার রাতে দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরে পদাধিকারীদের বৈঠকে এই বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন।

বৈঠকে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে সমাজকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের অবদানকে সম্মান জানানো এবং তাঁদের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখা দলের দায়িত্ব। কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান নয়, সমাজের জন্য তাঁর কাজকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতিও বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে আসে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মতে, মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি যথেষ্ট নয়, সামাজিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় সরকার গঠনের পর সংগঠনের দায়িত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বৃদ্ধি, সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, দেশের সমস্ত রাজ্য সংগঠনকেই এই বিষয়ে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নীতিন নবীন।

বিজেপির অন্দরে অনেকের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এর মাধ্যমে দলীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর সামাজিক পরিসরে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংগঠনের ভিত আরও শক্তিশালী করা এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই আগামী দিনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিজেপি নেতৃত্ব।

বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে জনসংযোগ বৃদ্ধি এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top