উত্তর চব্বিশ পরগনা – স্কোরবোর্ডে ফল ১-১। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ডার্বি বারাসাতের মাটিতে ফিরিয়ে আনাই যেন হয়ে উঠল দিনের বড় সাফল্য। বহু বছর পর বারাসাত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহাসিক এই ম্যাচ ঘিরে হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমীর আবেগ, উচ্ছ্বাস ও গর্জনে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
এই ডার্বি শুধু দুই দলের লড়াই নয়, বারাসাতের সক্ষমতারও পরীক্ষা ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। নানা সংশয়, প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ম্যাচটি বারাসাতের মাটিতে আয়োজনের পিছনে স্থানীয় বিধায়ক শংকর চ্যাটার্জীর অদম্য জেদ, দৃঢ় সংকল্প ও নিরলস প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর উদ্যোগেই বহু প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ বারাসাতে আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ম্যাচ ঘিরে প্রশাসন, আয়োজক এবং ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টারও প্রশংসা করা হয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বারাসাত শুধু দর্শক হিসেবে নয়, বড় মাপের ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রেও সক্ষম—সেই বার্তাই আরও জোরালো হল বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
তাই দিনের শেষে ম্যাচের স্কোর ১-১ হলেও বারাসাতের কাছে এই আয়োজন নিঃসন্দেহে বড় প্রাপ্তি। ডার্বির ফলাফলের বাইরে এই দিনের ‘আসল স্কোরলাইন’ যেন—বারাসাত ১, সংশয় ০। আর এই সাফল্যের নেপথ্যে শংকর চ্যাটার্জীর উদ্যোগ ও ভূমিকা বিশেষভাবে সামনে এসেছে।




















