বাংলার রাজ্যপাল পদে বড় রদবদল, সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার পর দায়িত্বে আর এন রবি

বাংলার রাজ্যপাল পদে বড় রদবদল, সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার পর দায়িত্বে আর এন রবি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন C. V. Ananda Bose। তাঁর পদত্যাগের কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা যায়, বাংলার অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল R. N. Ravi। একইসঙ্গে ওই দিন দেশের আরও কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও রাজ্যপাল ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে রদবদল করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া আর এন রবির পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল তাঁর জন্ম। ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর ১৫তম রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক মহলে তিনি সুপরিচিত একটি নাম।
এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। পাশাপাশি ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত দায়িত্বে মেঘালয়ের রাজ্যপালের পদেও ছিলেন। ১৯৭৬ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের একজন আইপিএস অফিসার হিসেবে প্রশাসনিক জীবনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
পুলিশি পরিষেবার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন আর এন রবি। একসময় তিনি ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবেও কাজ করেছেন। এছাড়াও নাগা শান্তি আলোচনায় ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
অন্যদিকে, মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২০ মাস আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোয় নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সিভি আনন্দ বোস। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর মেয়াদ ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।
তবে সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার অনেক আগেই কেন তিনি পদত্যাগ করলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। সূত্রের খবর, দিল্লিতে থাকাকালীনই তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন এবং Droupadi Murmu ইতিমধ্যেই সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-কে ঘিরে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে এই ইস্তফা ও নতুন নিয়োগ ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top