গিলের ঝড়ে ফাইনালে গুজরাত, রাজস্থানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে খেতাবের লড়াইয়ে টাইটান্স

গিলের ঝড়ে ফাইনালে গুজরাত, রাজস্থানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে খেতাবের লড়াইয়ে টাইটান্স

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



খেলা – মুল্লানপুরে আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল গুজরাত টাইটান্স। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শুভমান গিলের দল খেতাবের লড়াইয়ে নিজেদের আসন নিশ্চিত করেছে। ফাইনালে তাদের মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সেই মহারণ।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান রয়্যালস। মাত্র ১ রান করে ফেরেন যশস্বী জয়সওয়াল। পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান ধ্রুব জুরেল। মাত্র ৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল। সেই পরিস্থিতিতে বৈভব সূর্যবংশী একপ্রান্ত আগলে রেখে বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন এবং দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।

চার নম্বরে নামানো হয় রবীন্দ্র জাডেজাকে। তিনি কিছুটা স্থিতি ফেরালেও চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে আবার ক্রিজে ফিরে এসে বৈভবকে সঙ্গ দেন। অধিনায়ক রিয়ান পরাগ এবং দাসুন শানাকা ব্যর্থ হওয়ায় রাজস্থানের চাপ আরও বাড়ে। তবে শেষদিকে বৈভব ও জাডেজার জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল।

চাপের মুখে অনবদ্য ইনিংস খেলেন বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৪৭ বলে ৯৬ রান করে শতরানের খুব কাছে পৌঁছে যান তিনি। তবে কাগিসো রাবাডার শর্ট বলে আউট হয়ে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করা হয়নি তাঁর। শেষ দিকে ডোনোভান ফেরেইরা মাত্র ১১ বলে অপরাজিত ৩৮ রান করেন। জাডেজাও অপরাজিত ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ২১৪ রান।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় গুজরাত টাইটান্সকে। আবারও দলের ভরসা হয়ে ওঠেন শুভমান গিল ও সাই সুদর্শন। দু’জনে মিলে ১৬৭ রানের বিশাল জুটি গড়ে রাজস্থানের হাত থেকে ম্যাচ কার্যত ছিনিয়ে নেন। এই জুটির সৌজন্যে পুরুষদের টি-২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক শতরানের জুটির নতুন রেকর্ডও গড়ে ওঠে। ভেঙে যায় ক্রিস গেইল-বিরাট কোহলি এবং বাবর আজম-মহম্মদ রিজওয়ানের যুগ্ম রেকর্ড।

অধিনায়ক শুভমান গিল ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। মাত্র ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করে তিনি গুজরাত টাইটান্সের হয়ে আইপিএলে দ্রুততম শতরানের নজির গড়েন। অন্যদিকে সাই সুদর্শন ৩২ বলে ৫৮ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। যদিও তিনি হিট উইকেট হয়ে ফেরেন।

তবে ততক্ষণে জয়ের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গুজরাত। এই জয়ের সুবাদে ফাইনালে উঠে খেতাব জয়ের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করে তুলল শুভমান গিলের দল।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top