সুদীপ বিতর্কে রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বার্তা শোভনদেবের, মমতাকেই ছুঁড়লেন তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন

সুদীপ বিতর্কে রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বার্তা শোভনদেবের, মমতাকেই ছুঁড়লেন তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য  তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে জল্পনা যখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, তখন সেই বিতর্কে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করলেন দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে সরাসরি রাজনৈতিক মন্তব্য না করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আশ্রয় নেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাংশের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে রাজনৈতিক গুঞ্জন এবং বিজেপির দিকে ঝোঁকার সম্ভাবনা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা ও অবস্থান নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কালীঘাটে পৌঁছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সুদীপ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি এক ব্যতিক্রমী ভঙ্গিতে উত্তর দেন।

সাংবাদিকদের সামনে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতার অংশ আবৃত্তি করেন। তিনি বলেন, “কণ্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে, বাঁশি সংগীতহারা, অমাবস্যার কারা লুপ্ত করেছে আমার ভুবন দুঃস্বপনের তলে, তাই তো তোমায় শুধাই অশ্রুজলে…”। তাঁর এই আবৃত্তি উপস্থিত সকলকে মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দেয়।

কবিতার লাইনগুলি উচ্চারণ করার পর কিছুক্ষণ থেমে যান শোভনদেব। এরপর কবিতার আবহ বজায় রেখেই তিনি এমন একটি মন্তব্য করেন, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তাঁর বক্তব্যে দলীয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত যেমন ছিল, তেমনই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের প্রতি এক ধরনের প্রশ্নও উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরাসরি কোনও নাম না করলেও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দলীয় অন্দরের টানাপোড়েনেরই প্রতিফলন। কবিগুরুর কবিতার ভাষায় তিনি যে বার্তা দিতে চেয়েছেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসতে শুরু করেছে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে চলা জল্পনা, দলীয় সমীকরণের পরিবর্তন এবং শোভনদেবের এই ব্যতিক্রমী মন্তব্য—সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top