দেশ – স্মার্টফোন নেই, অ্যাপ ডাউনলোড করে ফর্ম পূরণ করার মতো অভিজ্ঞতাও নেই—এমন গ্রাহকের সংখ্যা কম নয়। আবার যাঁরা অ্যাপের মাধ্যমে গ্যাস বুকিং করেন, তাঁদের অনেকেই ই-কেওয়াইসির প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছন্দ নন। কোথাও আবার অ্যাপ কাজ না করায় সমস্যায় পড়ছেন গ্রাহকেরা। এই পরিস্থিতিতে রবিবারের মধ্যে এলপিজি গ্যাসের ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক বলে সরকারের নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছিল উদ্বেগ। তবে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতে স্বস্তির খবর মিলেছে। কেন্দ্রের তরফে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বাড়িয়ে ২৩ অগস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না করলে গ্যাসের ভর্তুকি মিলবে না—এই সিদ্ধান্তে এখনও অনড় রয়েছে সরকার। ফলে সময়সীমা বাড়লেও গ্রাহকদের উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে বিভিন্ন পরিষেবা কেন্দ্রে লম্বা লাইন পড়ছে। কোথাও আবার ইন্টারনেট বা সংযোগজনিত সমস্যায় পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। সব মিলিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উৎকণ্ঠা রয়েছে।
এরই মধ্যে আজ ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস। পরদিন রবিবার। গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে গ্যাস সংস্থাগুলির ডিস্ট্রিবিউটরদের তরফে জানানো হয়েছে, ছুটির দিনেও দুপুর ১২টা থেকে পরিষেবা কেন্দ্র খোলা থাকবে। যাঁদের ই-কেওয়াইসি এখনও বাকি, তাঁরা সেখানে গিয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে পারবেন।
গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের বক্তব্য, রান্নার গ্যাসের পরিষেবা যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা জরুরি। ই-কেওয়াইসি না করলে ভবিষ্যতে গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হতে পারে বলেও গ্রাহকদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে যেভাবে পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে ভিড় বাড়ছে এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে, তাতে ২৩ অগস্টের মধ্যে সমস্ত গ্রাহকের ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।




















