দেশ – উৎসবের মরসুমে মিষ্টির বাজারে চিনির চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দ্রুত বেড়ে চলেছে চিনির দাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালোবাজারি ও মজুতদারি রুখতে কাঁচা চিনি আমদানির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশ থেকে কাঁচা চিনি আমদানি করার পর সর্বোচ্চ দু’মাসের মধ্যে তা প্রক্রিয়াজাত করে রিফাইন্ড বা পরিশোধিত চিনিতে পরিণত করতে হবে। শুধু পরিশোধন করলেই হবে না, ওই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সেই চিনি বাজারে বিক্রি করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা যাতে দীর্ঘদিন চিনি মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই কড়া নির্দেশ বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে উৎসবের মরসুমে বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক মাসের ব্যবধানে খুচরো বাজারে চিনির গড় দাম প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়ে কেজি প্রতি প্রায় ৬৩ টাকা ৫ পয়সায় পৌঁছেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুচরো বাজারে চিনির দাম কেজি প্রতি ৭৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অন্যদিকে, চিনি কল থেকে বেরোনোর সময়ও প্রতি কেজি চিনির দাম প্রায় ৬২ টাকায় পৌঁছেছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, আখের খেতে পোকার আক্রমণ, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং উৎসবের মরসুমে চিনি মজুত করার প্রবণতাকে দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজারে সরবরাহ বাড়াতে সরকার ইতিমধ্যেই আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।




















