চাঁদ-মঙ্গলে মানুষের নতুন ঠিকানা! ‘ভীম’ তৈরি করছেন শুভাংশু শুক্লা, ভিনগ্রহে বাসস্থানের রূপরেখা ভারতীয় মহাকাশচারীর

চাঁদ-মঙ্গলে মানুষের নতুন ঠিকানা! ‘ভীম’ তৈরি করছেন শুভাংশু শুক্লা, ভিনগ্রহে বাসস্থানের রূপরেখা ভারতীয় মহাকাশচারীর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



আন্তরজাতিক:-;মহাকাশযানে সফর শেষে গন্তব্যে পৌঁছনোর পর মানুষ থাকবে কোথায়? চাঁদ কিংবা মঙ্গলের মাটিতে কেমন হবে মানুষের বাসস্থান? ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানের এই জটিল প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন ভারতীয় মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। ভিনগ্রহে মানুষের বাসযোগ্য একটি সম্ভাব্য ঠিকানার রূপরেখা তৈরি করেছেন তিনি। সেই কনসেপ্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভীম’—‘ভারতীয় হ্যাবিটেবল এক্সপ্যান্ডেবল এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল হ্যাবিটেট’ বা BHEEM।

রাশিয়া থেকে ফিরে ভারতে মহাকাশচারী হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়ই এই গবেষণার সূত্রপাত হয় শুভাংশুর। বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স বা IISc-এর অলোক ল্যাবে তৈরি হয়েছে ‘ভীম’-এর এই কনসেপ্ট। প্রশিক্ষণের সময় ভারতের রকেট সিস্টেম এবং অরবিটাল মডিউলের খুঁটিনাটি শেখার পাশাপাশি চলছিল শারীরিক কসরতও। এর মধ্যেই ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযান নিয়ে অ্যাকাডেমিক গবেষণায় উৎসাহিত করা হয় মহাকাশচারীদের।

শুভাংশু শুক্লার ভাবনায়, মহাকাশযানে করে কোনও গ্রহ বা উপগ্রহে পৌঁছে যাওয়াই শেষ কথা নয়। সেখানে অবতরণের পর মানুষ কীভাবে থাকবে, কোথায় আশ্রয় নেবে এবং কীভাবে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা যাবে—সেই প্রশ্নগুলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণের নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে গিয়ে ভবিষ্যতের মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য বাসস্থানের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি।

শুভাংশুর কথায়, যে মহাকাশযানে ওড়ার জন্য তাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, তিনি তার বাইরেও ভাবতে চেয়েছিলেন। গন্তব্যে নামার পর মানুষ কোথায় থাকবে, সেই ভাবনা থেকেই গবেষণার কাজ শুরু করেন। সেই ভাবনারই ফল ‘ভীম’—ভবিষ্যতে চাঁদ, মঙ্গল বা অন্য কোনও ভিনগ্রহে মানুষের স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top