
নিজস্ব সংবাদদাতা,উত্তর ২৪ পরগনা,২৭শে আগস্ট : পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার পালিয়ে আসা সদ্য বিবাহিত বাংলাদেশী নাবালিকা। চাইল্ড লাইন এবং পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশী নাবালিকাকে তুলে দেয়া হয় চাইল্ড লাইনের হাতে।ঘটনাটি হাবরা থানা এলাকার।আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভিনদেশের এক নাবালিকা মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে করছিল হাবড়া কুমড়োর বাপ্পা মজুমদার।
পুলিশের জালে গ্রেপ্তার যুবক উদ্ধার ভিনদেশের বছর ১৬ র নাবালিকা।জানা যায়,বেশ কয়েক বছরআগে নাবালিকার মা অসুস্থ হওয়ার পরে বাবা গোবিন্দ অধীকারী এবং দাদা প্রকাশ অধীকারী দুজনেই মা এবং বোনকে বাংলাদেশ রেখে চলে আসেন ভারতবর্ষে।বাবা এবং ছেলে নতুন করে ভারতীয় নথিপত্র বের করে উত্তরাখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন।নাবালিকার মা অসুস্থ থাকার কারণে বাংলাদেশ এক মাসির কাছে থেকেই সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন নাবালিকা।ভারতে থাকা নাবালিকার দুঃসম্পর্কের মাসি হৃদয়পুর এলাকার বাসিন্দা চম্পা মন্ডল বাংলাদেশ থাকা নাবালিকা মাসির সাথে যোগাযোগ করে হাবরা থানার কুমড়ো মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা মজুমদার(৩৩) পেশায় রাজমিস্ত্রি তাকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে গত মাসের ২২ তারিখ গভীর রাতের কাউকে না জানিয়ে নাবালিকার বাড়িতে ভারতীয় যুবক বাপ্পা মজুমদারের সাথে নাবালিকার সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে দেয় এবং সেই রাতেই ভারতীয় যুবকের বাংলাদেশ থাকা এক আত্মীয়ের বাড়িতে কয়েকদিন থাকার পর চলতি মাসের ৪ তারিখ কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসেন নাবালিকাকে নিয়ে বাপ্পা মজুমদার।গোটা ঘটনাটি বাংলাদেশ থাকা নাবালিকার দূরসম্পর্কের এক প্রতিবেশী আত্মীয় ভারতে থাকার নাবালিকার এক পিসি চারুলতাকে জানান,ঐ পিসি উত্তরাখণ্ডে থাকা নাবালিকার বাবা ও দাদা সাথে যোগাযোগ করে সম্পূর্ণ ঘটনা তাদের বলেন।নাবালিকার মোবাইল নাম্বার জোগাড় করে দাদা প্রকাশ অধিকারী বোনের সাথে যোগাযোগ করেন এবং নাবালিকা বোন তার দাদাকে সমস্ত ঘটনা জানান।নাবালিকার অনিচ্ছাসত্ত্বেও জোরপূর্বক বিয়ে করেছেন এবং সদ্য বিবাহিত স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যরা নাবালিকাকে বিভিন্ন সময় মানসিক এবং শারীরিক ভাবে অত্যাচার করছেন শুনেই সোমবার বিকেল ৩টে ৩০ নাগাদ হাবরা থানা দ্বারস্থ হন বোনকে উদ্ধারের জন্য দাদা প্রকাশ মজুমদার।সেইমতো হাবরা থানার পুলিশ সোমবার সন্ধ্যায় নাবালিকাকে উদ্ধার করেন কুমড়ো মাটপাড়া এলাকা থেকে এবং অভিযুক্ত স্বামীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।



















