
নিজস্ব সংবাদদাতা,পশ্চিম মেদিনীপুর,১৮ ই অক্টোবর : দিদিকে বলো’য় ফোন করে কুড়ি দিনের মাথায় সমস্যার সমাধান পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত সাফাই কর্মীর। অবসরের পর পেনশন চালু হলেও মিলছিল না গচ্ছিত গ্র্যাচুয়িটির টাকা। বেশ কয়েকবার পৌরসভায় ঘুরে কোনও সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে দিদিকে বলোর ফোন নম্বরে ফোন করেন চন্দ্রকোনা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড লছীপুর এলাকার বাসিন্দা তথা ওই পৌরসভারই অবসরপ্রাপ্ত সাফাই কর্মী বাদলী দাস নামের এক বৃদ্ধা। সপ্তা দুয়েক আগেই দিদিকে বলোর নম্বর ফোন করে সমস্যার কথা জানান বাদলী দেবী। এর পরই দিদিকে বলো নম্বর থেকে ফোন আসে বাদলী দেবীর কাছে। অবসর প্রাপ্ত সাফাই কর্মীর দাবী, দিদিকে বলো নম্বর থেকে ফোন করে সমস্ত তথ্য জানতে চান। আমি আমার সমস্ত তথ্য জানানোর পর আমাকে আশ্বাস দেওয়া হয় সমস্যা সমাধানের এবং পৌরসভায় গিয়ে খোঁজ নিতে বলা হয় সমাধান হল কিনা। ওই নম্বরে ফোন করার প্রায় কুড়ি দিনের মাথায় সমস্যার সমাধান হয়। পৌরসভায় ঘুরে ঘুরে কিছু না হলেও দিদিকে বলোয় ফোন করে সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি। জানা যায়,২০১৮ সালের আগষ্টের ১ তারিখ অবসর নেন সাফাই কর্মী বাদলী দাস।অবসরের পর ২০১৯ সালের জুন মাসে চালু হয় পেনশন। এর মাঝের সময়ে হাতে কোনও টাকা না থাকায় বাদলী দেবীর আর্থিক অবস্থা দেখে পৌরসভার নিজস্ব ফান্ড থেকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হতো। পেনশন চালুর পর সেই টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অবসরের পর গ্র্যাচুয়িটির টাকা না পাওয়ায় পৌরসভার দ্বারস্থ হয় বাদলী দাস। বারংবার পৌরসভায় ঘুরেও গ্র্যাচুয়িটির টাকা না মেলায় অবশেষে দিদিকে বলো নম্বরে ফোন করে সমস্যার সমাধান হল ওই অবসরপ্রাপ্ত সাফাই কর্মী বৃদ্ধা বাদলী দাসের। এবিষয়ে চন্দ্রকোনা পৌরসভার তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মিলেনি।



















