
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৪ মার্চ, মাঝ আকাশে শিলাবৃষ্টির জেরে বিমানের কাঁচ ভাঙল। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সহ ১৫০ জন যাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেলে। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিমানটি কিছুক্ষণ টেক অফ করার কিছুক্ষণ পরেই মাঝ আকাশে ভয়ংকর শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এর পরেই শিলা বৃষ্টির জেরে বিমানের সামনের অংশের জানালার কাঁচে চির ধরে যায়। বিপদ বুঝতে পেরে পুনরায় কলকাতার এটিসি সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাইলট। এটিসি ওই বিমানকে এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করার নির্দেশ দেয়। সেই মতো বিমানটি এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সহ ১৫০ জন যাত্রী সুরক্ষিত রয়েছেন, সূত্রের খবর।
এদিন উত্তরবঙ্গ যাবেন বলেন এয়ার এশিয়ার বিমান এ আই ৫৫৩৬ নম্বরে চড়ে বসেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সহ ১৫০ জন যাত্রী। বিমানটি নির্ধারিত সময় বিকেল ৪ নাগাদই আকাশে উড়ে যায় কলকাতার মাটি ছেড়ে। কিন্তু তখনও কেউ যানত না যে মাঝ আকাশে লুকিয়ে আছে বিপদ সংকেত। বিকেল ৪: ১০ থেকে কলকাতার আকাশের মুখ ছিল ভার। আর সোয়া চারটে নাগাদ ঝোড়ো হাওয়া এবং সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়। ততক্ষনে বিমান কলকাতার সীমা ছাড়িয়ে দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলির উপর দিয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু বৃষ্টির সাথে ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ শুরু হয়ে যায় শিলা বৃষ্টি। যেহেতু বাগডোগরাগামী বিমান সেই কারণে মাটি থেকে বিমানের উচ্চতা তখন ১২ থেকে ১৫ হাজার ফুট। ফলে শিলা বৃষ্টির প্রকোপে পড়ে যায় বিমানটি। প্রথমে আকাশের প্রবল হাওয়ার চাপে বিমান তার উচ্চতা কমাতে বাধ্য হয়ে পড়ে। এদিকে বিপদের আশঙ্কা বুঝতে পেরে বিমানের চালক এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু করেন। এটিসির পক্ষ থেকে জরুরি অবতরনের জন্য অনুমতি দিয়ে দেওয়া হয় বিমানটিকে। এদিকে বিমানের ভিতরে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। চালকের তৎপরতায় এদিন সুরক্ষিতভাবেই কলকাতার মাটিতে নেমে আসে বিমানটি। পরে বিকল্প বিমানে এদিন সকল যাত্রীকেই বাগডোগরা পৌঁছে দেওয়া হয়।


















