মন খারাপ চাকরিপ্রার্থীদের, আন্দোলনকারীদের কী বার্তা দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

মন খারাপ চাকরিপ্রার্থীদের, আন্দোলনকারীদের কী বার্তা দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

মন খারাপ চাকরিপ্রার্থীদের, আন্দোলনকারীদের কী বার্তা দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়? কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) একক বেঞ্চ থেকে কুন্তল ঘোষের চাপ দিয়ে অভিষেকের নাম বলানোর চেষ্টা সংক্রান্ত অভিযোগের মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কিন্তু বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারণা, দুর্নীতি সংক্রান্ত আরও মামলা রয়েছে এবং সেগুলিও তাঁর হাত থেকে সরে যেতে পারে। এদিকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়ের ছবিসহ পোস্টার নিয়েও ক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। যদিও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়ের স্পষ্ট বার্তা, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে মেনে চলতে হবে। এতে যদি ব্যক্তিগতভাবে কারও মন খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে বিশেষ কিছু করার নেই।’

 

 

 

 

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়ের সরে যাওয়ায় কি তদন্তের উপর কোনও প্রভাব পড়বে? সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বললেন, ‘তদন্তে প্রভাব পড়বে কি না, তা আপনারা ভবিষ্যতে বুঝতে পারবেন। তা আমিও এখন বলতে পারব না, আপনারাও বুঝতে পারবেন না। কিছুদিন যাক।’ তবে তাঁর উপরে যে কখনও কোনও রাজনৈতিক চাপ আসেনি, সেই কথাও স্পষ্ট করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়। বললেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক? রাজনীতির সঙ্গে তো আমার কোনও সম্পর্ক নেই।’

 

 

 

 

আরও পড়ুন – নিয়োগ মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানালেন অভিষেক, আর কী কী…

 

 

 

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়ের এজলাসে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁর কলমের খোঁচায় চাকরি পেয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন অনেকে। কিন্তু এখনও অনেকে রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন, চাকরির দাবিতে। তাঁদের উদ্দেশ্যে কী বার্তা দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়? আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের বিষয়ে এদিন রাতে বিচারপতিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। মামলা তো শেষ হয়ে যায়নি। মামলা তো অন্য কোনও বিচারপতির কাছে যাচ্ছে। তিনিও তো একজন হাইকোর্টের বিচারপতি। তিনি দেখবেন।’ পরে বাড়ি ফিরে আবারও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে বিচারপতি বললেন, ‘ধৈর্য ধরে বসে থাকুন। এমনকী আপনাদের সেই বসে থাকার দিন, আপনাদের মৃত্যু দিন পর্যন্ত হতে পারে।’

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top