রাজ্য- শুক্রবার ছাত্র আন্দোলনের মিছিলকে ঘিরে অশান্তি এবং সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, ধৃতদের কেউই ছাত্র নন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে।
পুলিশের অভিযোগ, ধৃতদের মধ্যে মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে ভিনরাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। অন্ডালের কাছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে তাঁদের আটক করা হয়। ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার পরই শুরু হয় ধারাবাহিক ধরপাকড়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ইমরান খুরশিদ, আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ, মহম্মদ মঈনুদ্দিন, মহম্মদ আলমগীর ওরফে রাজু, ইমরান আহমেদ ওরফে গোপী, খালিদ রেজা ওরফে রিংকু, জমির আহমেদ ওরফে মিনকু, মহসিন খান, দীপক ভৌমিক ওরফে ভিকি, মহম্মদ আজাদ এবং মহম্মদ আফরোজ।
ঘটনার পর আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাংবাদিকদের উপর হামলার কড়া নিন্দা করে জানিয়েছিলেন, ছাত্র আন্দোলনের নামে আইন হাতে তুলে নেওয়া বা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর হামলার ঘটনায় কাউকেই রেয়াত করা হবে না। একইসঙ্গে বিধানসভায় তিনি আশ্বাস দেন, নতুন সরকারের আমলে কার্যকর হওয়া গুণ্ডাদমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার জেরে হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি—মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাগুলিতে গুণ্ডাদমন আইনও যুক্ত করা হয়েছে। বিধানসভায় সদ্য পাস হওয়া এই আইন প্রথমবারের মতো এই ঘটনাতেই প্রয়োগ করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।




















