রাজ্য – রবিবাসরীয় প্রচার সেরে ঝাড়গ্রামে এক অভিনব মুহূর্তের সাক্ষী থাকল সাধারণ মানুষ। কনভয় থামিয়ে কলেজ মোড়ে এক ঝালমুড়ির দোকানে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। আর সেই মুহূর্তেই রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন দোকানের মালিক বিক্রমকুমার সাউ।
বিক্রমের আদি বাড়ি বিহারের গয়ায়। অল্প বয়সেই বাংলায় চলে আসেন এবং ঝাড়গ্রামে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে ঠেলাগাড়িতে ঝালমুড়ি, ছোলা ভাজা, বাদাম ভাজা বিক্রি করতেন। পরে কলেজ মোড়ে একটি ছোট গুমটি ভাড়া নেন। রাস্তা সম্প্রসারণের সময় সেই গুমটি ভেঙে গেলে সমস্যায় পড়েন তিনি-সহ বহু ব্যবসায়ী। তখন তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-এর দ্বারস্থ হন। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ৫৪ জন ব্যবসায়ীকে পাকা দোকানঘর দেওয়া হয়, যার মধ্যে বিক্রমও ছিলেন।
রবিবার বিকেলে প্রচারসভা শেষে হেলিপ্যাডে যাওয়ার পথে হঠাৎই বিক্রমের দোকানের সামনে থামেন মোদি। আচমকা প্রধানমন্ত্রীকে সামনে দেখে প্রথমে কিছুটা হকচকিয়ে গেলেও দ্রুত নিজেকে সামলে নেন বিক্রম। মোদির পছন্দমতো পেঁয়াজ দিয়ে ঝালমুড়ি তৈরি করে দেন তিনি। বিক্রমের কথায়, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে তাঁর সঙ্গে আলাপ করেন, নাম-পরিচয় জানতে চান, তারপর ঝালমুড়ি বানাতে বলেন।
ঝালমুড়ির ঠোঙা হাতে নিয়ে নিজে খান মোদি, পাশাপাশি উপস্থিত অন্যদেরও খাওয়ান। এমন দৃশ্য দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও এত সহজভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য তাঁদের জন্য একেবারেই বিরল অভিজ্ঞতা। উল্লেখযোগ্যভাবে, ঝালমুড়ির দাম হিসেবে ১০ টাকাও দেন মোদি।
প্রথম দফার ভোটের আগে ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে বিজেপির প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সভা শেষে ফেরার পথেই এই ছোট্ট বিরতি যেন বড় রাজনৈতিক সফরে এক মানবিক মুহূর্ত যোগ করল।
ঝাড়গ্রামে ‘ঝালমুড়ি ব্রেক’, মোদির সফরে রাতারাতি আলোচনায় বিক্রম সাউ
ঝাড়গ্রামে ‘ঝালমুড়ি ব্রেক’, মোদির সফরে রাতারাতি আলোচনায় বিক্রম সাউ
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



















