খেলা- ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করলেন রোহিত শর্মা। সোমবার ওয়াংখেড়েতে তিনি দেখিয়ে দিলেন কেন তাঁকে বড় ম্যাচের খেলোয়াড় বলা হয়। লখনউ সুপার জায়ান্টস-এর দেওয়া কঠিন লক্ষ্য সহজেই তাড়া করে ৬ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় মুম্বই। হার্দিক পাণ্ড্য-র নেতৃত্বাধীন দল এই জয়ের ফলে প্লেঅফের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল, অন্যদিকে এই হারের পর লখনউয়ের প্লেঅফে ওঠা কার্যত অসম্ভব হয়ে গেল।
টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক। ব্যাট করতে নেমে লখনউয়ের হয়ে ইনিংসের সূচনা করেন মিচেল মার্শ ও জস ইংলিশ। যদিও ইংলিশ বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ১৩ রান করেই ফিরে যান। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন নিকোলাস পুরাণ, মাত্র ২১ বলে ৬৩ রান করেন তিনি। মার্শের ৪৪ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। পাশাপাশি আইডেন মার্করাম ৩১ ও হিম্মত সিং ৪০ রান করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লখনউয়ের স্কোর পৌঁছয় ২২৮ রানে, যা এই মাঠে যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বলেই মনে হচ্ছিল।
তবে রান তাড়া করতে নেমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। রোহিত শর্মা ৮৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন এবং তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন রায়ান রিকেলটন, যিনি ৮৩ রান করেন। দুই ওপেনারের দুর্দান্ত জুটিতেই মুম্বই সহজ জয় পায়। অন্যদিকে লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ আবারও ব্যর্থ হন, ১০ বলে মাত্র ১৫ রান করেন।
বল হাতে এদিন খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি মুম্বইয়ের বোলাররা। যশপ্রীত বুমরাহ আবারও হতাশ করেন। তবে করবিন বোশ ২ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন। এছাড়া উইল জ্যাকস, রঘু শর্মা ও গজনফর একটি করে উইকেট নেন। লখনউয়ের বোলারদের মধ্যেও তেমন সাফল্য দেখা যায়নি, শুধুমাত্র মণিমরন সিদ্ধার্থ ২টি উইকেট নেন, আর মহম্মদ শামি ও মোহসিন খান একটি করে উইকেট পান।
এই জয়ের ফলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স নতুন করে প্লেঅফের স্বপ্ন দেখছে, আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের সামনে পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল।



















