রাজ্য – রাজ্যে নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে মুখ্যসচিবের পাশাপাশি সিইও-র দায়িত্বও সামলাচ্ছেন মনোজকুমার আগরওয়াল। জুলাই মাসে তাঁর অবসরের আগেই নতুন সিইও নিয়োগ করতে তৎপর হয়েছে রাজ্য এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নতুন সিইও পদে সম্ভাব্য মুখ হিসেবে তিনজন অভিজ্ঞ আমলার নাম পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। তালিকায় রয়েছেন নীলম মীনা, তন্ময় চক্রবর্তী এবং মৌমিতা গোদারা বসু। এই তিনজনের মধ্যেই একজনকে বেছে নিতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যদিও কমিশন চাইলে নতুন নাম পাঠানোর প্রস্তাবও দিতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক মহলে নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত তিন অফিসারেরই দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। নীলম মীনা বর্তমানে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তন্ময় চক্রবর্তী শ্রম দপ্তরের অধীনে ইএসআই প্রকল্পের ডিরেক্টর পদে কর্মরত। অন্যদিকে মৌমিতা গোদারা বসু স্বাস্থ্য এবং জেলা প্রশাসনে কাজের অভিজ্ঞতার জন্য প্রশাসনিক মহলে পরিচিত নাম।
প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, অভিজ্ঞ অফিসারদের নাম পাঠানো যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আগামী দিনে নির্বাচন পরিচালনা এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলাতে দক্ষ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে।
উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের আগে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন পরিচালনায় মনোজকুমার আগরওয়ালের ভূমিকা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। ভোটের পর তাঁকে মুখ্যসচিব পদে আনা হয়। আগামী জুলাই মাসে তাঁর অবসর নির্ধারিত রয়েছে।
তার আগেই নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে চাইছে রাজ্য সরকার এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ফলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সিইও নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।




















