রাজ্য – তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক পথে হাঁটবেন, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।
যদিও মোশারফ হোসেন দাবি করেছেন, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা এবং পারিবারিক দায়িত্বের কারণেই তিনি সাংগঠনিক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেও জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক বজায় থাকবে।
তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ইস্তফার পিছনে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত কারণ নয়, রাজনৈতিক সমীকরণও কাজ করতে পারে। মোশারফ হোসেন নিজেই স্বীকার করেছেন যে বিধানসভার স্পিকারের স্বীকৃত বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক শিবিরে যোগদানের জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দলের একাধিক নেতা গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল মোশারফ হোসেনের নামও। ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের।


















